কবিতা: পুত্তলিকা বিবাহ পদ্ধতি : (পাণ্ডুলিপি )

এই-না ব'লে মাটির ওপর দু-বার লাথি ঠুকে
জুজুমশাই পালিয়ে গেলেন ষাঁড়ের পেটে ঢুকে।

এই সমাচার জানতে পেরে সঙ্গীরা সব মিলে
দুলালচাঁদের পিঠ চাপড়ে খুব বাহবা দিলে।
জুজুর খবর রাষ্ট্র হ'ল পটলডাঙা-ময়,
গোলদীঘিতে বললে সবাই দুলালচাঁদের জয়।
দুলালচাঁদের কথা এখন সাঙ্গ হ'ল ভাই,
সকল গল্প সত্যি যেমন, এ গল্পটাও তাই।
ব'লে গেলুম তাড়াতাড়ি যা মনেতে এল,
বিশ্বাস যদি না করে কেউ—বড় বেঁচে-ই গেল।
মিথ্যে যদি বলেই থাকি, দোষটা তাতে কিসে?—
আমি হলুম দুলালচাঁদের চার-নম্বর পিসে।

পুত্তলিকা বিবাহ পদ্ধতিঃ।

শ্বেতদ্বীপনিবাসিভিঃ সাহেবৈর্নির্মিতস্য গৃহীতস্য পুত্রস্য পোর্ন্সিলেন গোত্রস্য শ্রীমতঃ অমুকস্য শ্রীমত্যা অমুক্যা সহ বিবাহকর্ম্মাহং করোমি। তষ্করে মাসি তষ্করে পক্ষে ছুট্যাং তিথৌ খেলনলগ্নে সণ্ডগোলযোগে ইদং শুভবিবাহকর্ম্ম সম্পাদয়তু। পরিণামফলং কন্যায়াঃ নাসিকাভঙ্গং পুত্রস্যতু মুণ্ডপাতং অন্তে পুষ্করিণ্যাং বিসর্জনং। শুভাশুভং যদ্রোষ্টিং তদস্তু। ইতি।

মঁন্দাক্রান্তায় রঁচিল কঁালিদাস কঁাব্য মেঁঘদূত চঁমৎকার; বাংলার রঁড়ের গুঁড়ুর বিভেদ নেই ব'লেই শক্ত কিঞ্চিৎ। যুক্তাক্ষর তাই যঁত্নায় পঁলাও মঁার দোঁপার দঁাও হুঁঙ্কার, ঠিক ঠিক জায়গায় বঁসালে হঁবে এই ছন্দ একদম মঁরিয়াত্মক ॥

৩০/৮/৪২